শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০

৭ বছর পর আরব আমিরাতে ইরানের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৩ | ১:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২৩ | ১:১৪ অপরাহ্ণ
৭ বছর পর আরব আমিরাতে ইরানের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

প্রায় ৭ বছর পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিয়েছে ইরান। এর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন উভয়পক্ষ।

২০১৬ সালের পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন ছিল। তবে গত বছরের আগস্টে সম্পর্ক মেরামতের উদ্যোগ নেয় আমিরাত। তারই অংশ হিসেবে দেশটিতে ফিরেছে ইরানি রাষ্ট্রদূত।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন মতে, মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করার বিষয়টি জানায় ইরানি কর্তৃপক্ষ। সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, তারাও খুব শিগগিরই তেহরানে রাষ্ট্রদূত পাঠাবে।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কে নাটকীয় অবনতি ঘটে মূলত ২০১৬ সালে। সৌদি সরকার এক শিয়া নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় ওই বছরের জানুয়ারিতে তেহরানে সৌদি দূতাবাসে হামলা চালায় ইরানি বিক্ষোভকারীরা।

এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে রিয়াদ। সৌদি-ইরানের সম্পর্কের এই অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে সেসময় তেহরানের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক কমিয়ে আনে আরব আমিরাতও।

ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে বছরের পর বছর ধরে চলা এই বৈরিতা উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে আরও হুমকির মুখে ফেলে দেয়। একই সঙ্গে ইয়েমেন থেকে সিরিয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল অঞ্চলজুড়ে আগে থেকে চলমান সংঘাতে ইন্ধন জোগাতে সাহায্য করে।

প্রায় অর্ধযুগ পর সম্প্রতি চীনের মধ্যস্ততায় কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সম্মত হয় সৌদি ও ইরান কর্তৃপক্ষ। এর ফলে প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই দেশের মধ্যে আবারও কূটনৈতিক, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়। আগামী দুই মাসের মধ্যে দুই দেশ একে অপরের রাজধানীতে ফের দূতাবাসও খুলবে বলেও জানিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানের মধ্যে ব্যবসায়িক ও বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে যা গত এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে প্রসারিত হয়েছে। তবে ২০১৯ সালে উপসাগরীয় জলসীমায় ও সৌদির একাধিক জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার পর তেহরানের সাথে ফের সংশ্লিষ্ট হতে শুরু করে আমিরাত।

সম্পর্কিত পোস্ট