শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০

২০২২ সালে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটের মুখোমুখি 

প্রকাশ: ৪ মে ২০২৩ | ৭:৪০ অপরাহ্ণ আপডেট: ৪ মে ২০২৩ | ৭:৪০ অপরাহ্ণ
২০২২ সালে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটের মুখোমুখি 

২০২২ সালে বিশ্বের ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হন। অথচ আগের বছর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হন ১৯ কোটিরও বেশি মানুষ।

জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২ সালে সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন, করোনাভাইরাস মহামারির প্রভাব এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ৫৮ দেশের প্রায় ২৫৮ মিলিয়ন বা ২৫ কোটি ৮০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল। এটা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংস্থাগুলোর একটি জোট দ্যা গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস বলেছে, তীব্র খাদ্য সংকটের কারণে সোমালিয়া, আফগানিস্তান, বুরকিনা ফাসো, হাইতি, নাইজেরিয়া, দক্ষিণ সুদান ও ইয়েমেনের মানুষ অনাহার এবং মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিল। এই সাতটি দেশের মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মতে, প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন এবং জরুরি খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন এমন লোকের সংখ্যা -২৫ কোটি ৮০ লাখ। টানা চার বছর ধরে খাদ্য নিরাপত্তাহীন মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। এটা বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা দূর করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি ব্যর্থতা। এটা সামগ্রিক মানবিক কার্যক্রমে একটি ব্যর্থতার নজির।

গুতেরেস বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য, গভীরতর বৈষম্য, ব্যাপক অনুন্নয়ন, জলবায়ু সংকট এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগও তীব্র খাদ্য সংকটের কারণ।’

জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন’-এর অন্যতম পরিচালক রেইন পলসেন বলেছেন, কয়েকটি কারণের মিথষ্ক্রিয়ায় তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। এ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে সংঘাত, জলবায়ু সংকট, মহামারির প্রভাব এবং রুশ-ইউক্রেনীয় যুদ্ধের কারণে সার, গম, ভুট্টা এবং সূর্যমুখী তেলের বাণিজ্যে তীব্র সমস্যা। খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল দরিদ্রতম দেশগুলোতে এসব বিষয়ের প্রভাব পড়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট