বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১

১৯৬ দেশ ভ্রমণ করে তরুণীর বিশ্বরেকর্ড

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১:১৬ অপরাহ্ণ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
১৯৬ দেশ ভ্রমণ করে তরুণীর বিশ্বরেকর্ড

ঘুরে বেড়াতে কে না পছন্দ করেন! তবে অনেকেই একা একা ঘুরতে ভালোবাসেন না। সঙ্গীকে নিয়ে ঘুরতেই বেশি পছন্দ করেন।

তবে সঙ্গীর সঙ্গে সময় না মিললে বা কর্মব্যস্ততায় আবার অনেকেরই ঘুরতে যাওয়া হয় না! তাতে কি, নিজেই বেরিয়ে পড়ুন বিশ্ব ভ্রমণে। ঠিক লেক্সি অ্যালফর্ডের মতো।

জানলে অবাক হবেন, মার্কিন তরুণী লেক্সি মাত্র ২১ বছরেই সারাবিশ্ব ভ্রমণ করেছেন। ১৯৬টি দেশে পা রেখেছেন তিনি। সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বের সবগুলো দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন এই সাহসী তরুণী। খবর জাগো নিউজের।

এজন্য গিনেস বুক রেকর্ডে নামও উঠেছে তার। মাত্র ২১ বছর বয়সেই উত্তর কোরিয়া পর্যন্তও ঘুরে এসেছেন তিনি। আমেরিকার নাগরিক লেক্সির বয়স এখন ২৩ বছর।

ছোটবেলা থেকেই ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসতেন লেক্সি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘মানুষের কথা না শুনে আমি আবেগকে অনুসরণ করেছি। যদিও আবেগ নিয়ে বাঁচা যায় না, তবে আমি সফল। নিজ লক্ষ্য পূরণ করেছি।’

যুক্তরাষ্ট্রের একটি কমিউনিটি কলেজ থেকে লেক্সি তার পড়াশোনা শেষ করেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই তিনি ৭২টি দেশ ভ্রমণ করেন তিনি। এরপর স্বপ্ন দেখেন দেশের সর্বকনিষ্ঠ নারী হিসেবে ১৯৬ দেশ ভ্রমণে বিশ্বরেকর্ড গড়বেন।

ঠিক তা ই করেছেন তিনি। তার ভ্রমণের বেশিরভাগই স্ব-অর্থায়নে ছিল। কারণ অল্প বয়স থেকেই লেক্সি তার স্বপ্নপূরণের জন্য কাজ ও সঞ্চয় শুরু করেছিলেন।

লেক্সির বাবা-মায়ের ক্যালিফর্নিয়ায় একটি ট্র্যাভেল অ্যাজেন্সি আছে। সেই সূত্র ধরেই নতুন দেশ ঘুরে বেড়ানো শুরু করেন তিনি। এখন লেক্সির ইনস্টাগ্রামে ঢুঁ মারলেই দেখা যায় নানা দেশে ভ্রমণের ছবি। ১৯৬টি দেশ দেখেছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমে লেক্সি জানান, ‘বাবা-মায়ের কাজের প্রয়োজনে ছোটবেলা থেকেই তাদের সঙ্গে দেশের বাইরে থেকেছি। লেখাপড়া করেছি বিভিন্ন দেশে ঘুরতে ঘুরতেই। ওই বয়সেই কম্বোডিয়ার ফ্লোটিং ভিলেজ থেকে মিশরের পিরামিড, সবই দেখেছি। এরপর থেকে একা ভ্রমণ শুরু করি।’

লেক্সি ২০১৬ সালে ঠিক করেন, পৃথিবীর সব কয়টি দেশ ঘুরে দেখবেন। ১৮ বছরে যখন তিনি ৭২টি দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন, এর পরবর্তী ৩ বছরের মধ্যে বাকি সব দেশে ঘুরেন তিনি।

সারাবিশ্ব ঘুরে বেড়ানোর খরচ কীভাবে জোগালেন লেক্সি? এ বিষয়ে তিনি জানান, ‘নিজের রোজগারেই সবকিছু করেছি। যখন যেমন কাজ পেয়েছি, সেটিই করেছি।’
‘ওই অর্থ দিয়ে পরের দেশটি ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছি। যতটা সম্ভব কম খরচে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছি। যতটুকু অর্থ লেগেছে ততটুকুই খরচ করেছি। এভাবেই সম্ভব হয়েছে।’

সম্পর্কিত পোস্ট