সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১

শ্রীলঙ্কার রেকর্ডের পর চট্টগ্রাম টেস্টে কঠিন চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৪ | ৭:৩৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৪ | ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
শ্রীলঙ্কার রেকর্ডের পর চট্টগ্রাম টেস্টে কঠিন চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার বড় পুঁজির পর লড়াইয়ের শুরুটা খারাপ করেনি বাংলাদেশ। তবে শেষ বিকালে হারিয়েছে তারা একটি উইকেট।

প্রথম দিনে ৪ উইকেটে ৩১৪ রান করা লঙ্কানদের প্রথম ইনিংস পরদিন থামে ৫৩১ রানে। বাংলাদেশ রোববার দ্বিতীয় দিন শেষ করে ১ উইকেটে ৫৫ রান নিয়ে।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসে ছয় ব্যাটসম্যান ফিফটি ছুঁলেও শতরানে পা রাখতে পারেননি কেউ। টেস্ট ইতিহাসে সেঞ্চুরি ছাড়া সবচেয়ে বড় দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড এটিই।

আগের টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করা কামিন্দু মেন্ডিস এবার অপরাজিত থাকেন ৯২ রানে। দ্বিতীয় দিনে ৭০ রানে আউট হন ধানাঞ্জয়া ডি সিলভা। প্রথম দিনে ৯৩ রানে ফিরেছিলেন কুসাল মেন্ডিস, ৮৬ রানে দিমুথ কারুনারাত্নে। এছাড়া দুই দিনে ফিফটি করেন নিশান মাদুশকা ও দিনেশ চান্দিমালও।

প্রথম দিন ফিল্ডিংয়ে একগাদা সুযোগ হাতছাড়া করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনেও ধরে রাখে সেই ধারা। দুইবার জীবন পান প্রাবাথ জায়াসুরিয়া, একবার কামিন্দু মেন্ডিস।

আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান দিনেশ চান্দিমাল ও ধানাঞ্জায় ডি সিলভা দ্বিতীয় দিনের শুরুটাও করেন ভালো। প্রথম ঘণ্টায় ওভারে চারের বেশ রান তোলেন দুজন।

৮৬ রানের এই জুটি থামান সাকিব আল হাসান। তার দারুণ ডেলিভারিতে আউট হয়ে যান চান্দিমাল। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫টি সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যান এবার ফেরেন ৫৯ রানে।

লাঞ্চের আগে বাংলাদেশ উইকেট নিতে পারে ওই একটিই। তবে আগের টেস্টে দুই ইনিংসেই বিশাল জুটি গড়া ধানাঞ্জায়া ও কামিন্দুর জুটি এবার খুব বেশি লম্বা হয়নি। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই বিদায় নেন ধানাঞ্জায়া। আগের টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করা লঙ্কান অধিনায়কের সংগ্রহ এবার ৭০ রান।

শ্রীলঙ্কা তখন কেবর চারশ পেরিয়েছে। লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে দারুণ ব্যাটিংয়ে এরপর দলকে পাঁচশ ছাড়িয়ে এগিয়ে নেন কামিন্দু। সপ্তম উইকেটে প্রাবাথ জায়াসুরিয়ার সঙ্গে যোগ করেন তিনি ৬৫ রান। দুবার জীবন পেয়ে জায়াসুরিয়া করেন ২৮।

৬০ রানে জীবন পাওয়া কামিন্দু এগিয়ে যান শতরানের দিকে। শেষ ব্যাটসম্যান ক্রিজে যাওয়ার সময় তার রান ছিল ৭৯। তাইজুল ইসলামের এক ওভারে দুটি ছক্কা মেরে সেঞ্চুরির অনেকটা কাছাকাছি পৌঁছান তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৮ রানে দূরেই অপরাজিত থেকে তাকে থমকে যেতে হয় শেষ ব্যাটসম্যান আসিথা ফার্নান্দো নন-স্ট্রাইক প্রান্তে রান আউট হয়ে যাওয়ায়।

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুতে ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে এগোতে থাকেন জাকির হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয়। তবে পঞ্চাশের কাছে গিয়ে দিনের শেষভাগে থামে এই জুটি। লাহিরু কুমারার বলে ২১ রানে বোল্ড হন মাহমুদুল হাসান জয়।

আরেক ওপেনার জাকির ও নাইটওয়াচম্যান তাইজুল ইসলাম নিরাপদে পার করেন দিনের বাকি সময়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শ্রীলঙ্কা ‌১ম ইনিংস: (আগের দিন ৩১৪/৪ ) ১৫৯ ওভারে ৫৩১ (চান্দিমাল ৫৯, ধানাঞ্জয়া ৭০, কামিন্দু ৯২*, জায়াসুরিয়া ২৮, ভিশ্ব ৬, আসিথা ০; খালেদ ২০-২-৭১-১, হাসান ২৪-৫-৯২-২, সাকিব ৩৭-৫-১১০-৩, মিরাজ ৪৬-৭-১৪৬-১, তাইজুল ৩২-৬-১০৬-০)।

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৫ ওভারে ৫৫/১ (জয় ২১, জাকির ২৮, তাইজুল ০; ভিশ্ব ৩-১-১২-০, আসিথা ৪-০-২১-০, কুমারা ৪-৩-৪-১, জায়াসুরিয়া ৪-১-১৩-০)

সম্পর্কিত পোস্ট