শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১

মেক্সিকোতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২২ | ৬:৩০ অপরাহ্ণ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২২ | ৬:৩০ অপরাহ্ণ
মেক্সিকোতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন

মেক্সিকোতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) মেক্সিকো শহরের ফ্রান্সিসকো গোইটিয়া পাবলিক এলিমেন্টারি স্কুলের ৩৫০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ দূতাবাস।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দূতাবাসে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে ৩৫০ শিক্ষার্থী ও ২২ শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ প্রায় ৪০০ জন স্কুলের হলরুমে সকাল ৯টায় সমবেত হন। তাদের উপস্থিতিতে ফ্রান্সিসকো গোইটিয়া পাবলিক এলমেন্টারি স্কুলের অধ্যক্ষ হেক্টর গার্সিয়া ক্যারেরা বাংলাদেশ দূতাবাসকে স্বাগত জানান।

এ সময় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকাকে সম্মাননা জানানো হয়। দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা চিয়াপাস, ওহাকা ও গেররেরো রাজ্যের তিনটি ঐতিহ্যবাহী মেক্সিকান নৃত্য পরিবেশন করে। পরে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ সম্পর্কে তথ্যসমৃদ্ধ একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থী শেখ রাসেলের জীবন সম্পর্কে কথা বলে।

রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম স্প্যানিশ ভাষায় দেওয়া বক্তব্যে শেখ রাসেল ও দিবসটির তাৎপর্য সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে বাংলাদেশের পতাকা বিতরণ করার পাশাপাশি উপস্থিত সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ধাপে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপস্থিতিতে দূতাবাসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে শেখ রাসেলের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

শেখ রাসেলের হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম একটি শিশু হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, আজ শেখ রাসেল জীবিত থাকলে তিনি বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরি হয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে অবদান রাখতে পারতেন।

শেখ রাসেলের জন্মদিনে শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্ব শিশুদের জন্য নিরাপদ হোক এই কামনা করেন রাষ্ট্রদূত। পরে শেখ রাসেল ও তার পরিবারের সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

সম্পর্কিত পোস্ট