শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১

মিরসরাইয়ে হিতকরীর ২২তম গণ-ইফতার
মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৮:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৮:০২ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে হিতকরীর ২২তম গণ-ইফতার<br>মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

মিরসরাইয়ের অন্যতম সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিতকরীর ২২তম গণ-ইফতার মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও পবিত্র মাহে রমজানের ২৭ তম দিনে উপজেলার আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গণ-ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টা থেকে হামদ-নাত, ক্বিরাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টা থেকে পবিত্র মাহে রমজানের গুরুত্ব ও ফযিলত নিয়ে পবিত্র কোরআন ও হাদিস থেকে গুরুত্বপূর্ন আলোচনা করেন আবুতোরাব কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ইমদাদুল হক নিজামী।

ইফতারের পূর্ব মূহুর্তে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা রবিউল হোসেন নিজামী।

হিতকরীর সভাপতি ইমাম হোসেন ফরহাদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ এর সার্বিক পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এম আলা উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ক্বারী মাওলানা মহিউদ্দিন, আবুতোরাব বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া, প্রবীণ চিকিৎসক ইয়াসিন মিয়া, আবুতোরাব হামিউচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসার মুহতামিম সিরাজুল ইসলাম, কলেজ গভর্নিংবডির সদস্য ডাক্তার গিয়াস উদ্দিন, মলিয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শান্তিনীড়ের সভাপতি আশরাফ উদ্দিন সোহেল, দুর্বার প্রগতি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দিন, প্রজন্ম মিরসরাইয়ের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, মধ্যম আমবাড়িয়া যুব সংঘের সভাপতি আলতাফ হোসেন, হিতকরীর নির্বাহী পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম রয়েল, নির্বাহী পরিচালক নুরুচ্ছালাম ভূঁইয়া ফোরকান, স্বপ্নতরী-৭১র সভাপতি খান মোহাম্মদ মোস্তফা সহ হিতকরীর সকল সদস্যরা।

সবশেষে হিতকরীর ৯ম তম কুইজ, হামদ-নাত এবং ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা।

গন-ইফতার মাহফিল সম্পর্কে হিতকরীর প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল ইসলাম রয়েল বলেন, এলাকার এক মুনুব্বি হিতকরী সদস্যদের সম্মানে প্রথম ইফতার আয়োজন করেছিলেন। আমরা রোযাদারদের জন্যই সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলেছি। রোযাদার ব্যতিত অন্যকিছু হিসাবে ধরা হয় না। হবেও না ইনশাআল্লাহ। এসময় দলমত নির্বিশেষে নানা শ্রেণী পেশার প্রায় সাড়ে ৪শ রোজাদার ব্যক্তি একসাথে বসে ইফতার করেন।

সম্পর্কিত পোস্ট