শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১

বাংলাদেশ-চীন ইয়ুথ টক : অনুষ্ঠিত হলো প্রথম চাইনিজ কর্নার

প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২২ | ৩:৩৬ অপরাহ্ণ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২২ | ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন ইয়ুথ টক : অনুষ্ঠিত হলো প্রথম চাইনিজ কর্নার

বাংলাদেশ-চীন ইয়ুথ টক ২০২২-২০২৩ শীর্ষক সিরিজ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম চাইনিজ কর্নার। বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বেল্ট অ্যান্ড রোড রিসার্চ সেন্টার এবং চীনের চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্সের ওভারসিজ এডুকেশন স্কুল যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

এই চাইনিজ কর্নারের মূল উদ্দেশ্য হলো- একটি মিশ্র প্ল্যাটফর্মে ভাষা, সাহিত্য এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক কার্যকলাপের আদান-প্রদানের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং বৃদ্ধি করা।

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত চাইনিজ কর্নারে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপের (এফবিই) ডিন এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বেল্ট অ্যান্ড রোড রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল।

ডিআইইউ বেল্ট অ্যান্ড রোড রিসার্চ সেন্টারের ডেপুটি ডিরেক্টর ডক্টর এ কে এম মহসিন এবং চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্সের সেপচুনের টিম লিডার কাদিরিয়া চাইনিজ কর্নারটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন।

চাইনিজ কর্নারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্সের ওভারসিজ এডুকেশন স্কুলের ডিন প্রফেসর ডক্টর ওয়েহুয়া ইয়ে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্সের ইন্টারন্যাশনাল কলেজের পরিচালক প্রফেসর জেমস ইউ।

পুরো আয়োজনটি ছিল সংস্কৃতির বর্ণাঢ্য ইতিহাসসহ দুটি জাতিকে একত্রিত করার একটি উদ্যোগ যেখানে ভাষা শিক্ষা, গান, নৃত্য এবং ক্যালিগ্রাফির মতো ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে দুটি দেশ তাদের নিজ নিজ সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সমুন্নত রাখে। অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের মতামত এবং জাতিগত মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে পারে।

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করে প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল এই আন্তঃসাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি চীনা কর্নার উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।

প্রধান অতিথি প্রফেসর ডক্টর ওয়েহুয়া ইয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বেল্ট অ্যান্ড রোড রিসার্চ সেন্টার এবং চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্সের ওভারসিস এডুকেশন স্কুলের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগসহ অন্যান্য বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের প্রচারের জন্য এই চাইনিজ কর্নারের গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন।

বছরব্যাপী কার্যক্রমের অংশ হিসাবে এখন থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বেল্ট অ্যান্ড রোড রিসার্চ সেন্টার এবং চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্সের ওভারসিজ এডুকেশন স্কুল প্রতি মাসে একটি করে চাইনিজ কর্নার আয়োজন করবে।

চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্সের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ইকোনমিক্সের ডক্টরাল ফেলো ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বেল্ট অ্যান্ড রোড রিসার্চ সেন্টারের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলামের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে চাইনিজ কর্নারের কার্যক্রমের সমাপ্তি হয়।

সংলাপ-২১/০৩/০০৫/আ/আ

সম্পর্কিত পোস্ট