মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১

দলে দলে ইজতেমায় আসছেন মুসল্লিরা, শুরু হয়ে গেছে বয়ান

প্রকাশ: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৪:৪১ অপরাহ্ণ আপডেট: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৪:৪১ অপরাহ্ণ
দলে দলে ইজতেমায় আসছেন মুসল্লিরা, শুরু হয়ে গেছে বয়ান

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দলে দলে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় আসছেন মুসল্লিরা। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিনভর বাস, ট্রাক ও পিকআপে করে জামাতবন্দি হয়ে নানা বয়সী মুসল্লিদের আসতে দেখা গেছে।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থেকে ২৪ জনের সাথী নিয়ে বিশ্ব ইজতেমায় এসেছেন কায়সার মিয়া। তিনি বলেন, আমাদের গ্রামের মসজিদ থেকে এমনিতেই প্রতি মাসে তাবলিগ জামাতে যান মুসল্লিরা। বিশ্ব ইজতেমায় লাখ লাখ মানুষ আসবেন, তাই অমরাও এসেছি দীনের দাওয়াতে।

মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুর থেকে ১৯ জনের সাথী নিয়ে বিশ্ব ইজতেমায় এসেছেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা হায়দার আলী। তিনি বলেন, সড়ক পথে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়া ইজতেমা ময়দানে এসে পৌঁছেছি। এখন নির্দিষ্ট খিত্তায় যাব, সেখানে গিয়ে সাথী ভাইদের নিয়ে অবস্থান করব এবং ইজতেমার অন্যান্য কাজ শুরু করব।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী থেকে বাসযোগে ৫২ জন নিয়ে ইজতেমা মাঠে বিকেল ৩টায় পৌঁছেছেন শামসুল হক। তিনি বলেন, সকাল ৮টায় নালিতাবাড়ীর কালিনগর থেকে রওনা হয়ে বিকেলে এসেছি ইজতেমায়। আমাদের কিছু সাথী বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাদের জন্য অপেক্ষা করছি। একত্রিত হয়ে ময়দানে প্রবেশ করব।

তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা ২ পর্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিরোধী পক্ষ মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ইজতেমা করবেন ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি। চারদিন বিরতির পর সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ইজতেমা করবেন ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি। ১ম পর্বে অংশ নিতে এখন মাঠে আসছেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা।

আয়োজকরা বলছেন, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দিন দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এখানে। দুপুর দেড়টার দিকে কাকরাইলের মুরুব্বি মাওলানা জোবায়ের এ জুমায় ইমামতি করবেন। বৃহত্তম জুমার এই নামাজে অংশ নিতে প্রতি ইজতেমায় তাবলিগের মুসল্লি ছাড়াও গাজীপুর ও আশপাশের জেলা থেকে আগের রাতেই ইজতেমা ময়দানে অবস্থান নিতে শুরু করেন অনেক মুসল্লি।

বিশ্ব ইজতেমার আয়োজক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী আব্দুন নূর জানান, দেশ-বিদেশের লাখো মুসলিমের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীর। ইতোমধ্যে পুরো ময়দান পূর্ণ হয়ে গেছে। জিকির-আসকারে সময় পার করছেন মুসল্লিরা। তাদের ধর্মীয় কাজে মনোনিবেশ করতে এবং ময়দানে উপস্থিত মুসল্লিদের জমিয়ে রাখতে মুরব্বিরা বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর থেকে প্রাথমিক বয়ান শুরু করেছেন।

সম্পর্কিত পোস্ট