মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১

টোকিওতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন

প্রকাশ: ৭ মার্চ ২০২২ | ৭:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: ৭ মার্চ ২০২২ | ৭:০১ অপরাহ্ণ
টোকিওতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন

জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (৭ মার্চ) প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ।

পরে রাষ্ট্রদূত জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়াংশে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের আত্মার মাগফিরাত, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ৭ মার্চ আমাদের জাতির ইতিহাসে একটি অনন্য গুরুত্বপূর্ণ দিন। যখন বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের উদাত্ত ভাষণ সমগ্র দেশবাসীকে স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্যে একিভূত করেছিল।

তিনি বলেন, রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু সেদিন তার সরচিত জাদুকরি কবিতাটি বিরামহীনভাবে আবৃত্তি করেন, যা মুক্তিকামী বাঙলিকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করে। কালজয়ী এ ভাষণ বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও ইতিহাসের সঙ্গে সারাজীবন মিশে থাকবে। অর্ধশত বছর পার হলেও এখনো এ ভাষণের প্রতিটা শব্দ বাঙালির হৃদয় ছুঁয়ে যায়, মনকে শিহরিত ও আন্দোলিত করে।

‘বঙ্গবন্ধুর অমূল্য সেই ভাষণ ইউনেস্কোর ২০১৭ সালে “Memory of the World Register” এর অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জীবন-সংগ্রামের ইতিহাস জাপানি বন্ধু ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের আহ্বান জানান তিনি।

উন্মুক্ত আলোচনায় জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন। বক্তারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ ও ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ার লক্ষ্যে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

সংলাপ ০৭/০৩/০০৭ আজিজ

সম্পর্কিত পোস্ট