শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১

জেলহত্যার ৪৬ বছর

জেলহত্যার রায় কার্যকরে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ৩ নভেম্বর ২০২১ | ১২:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: ৩ নভেম্বর ২০২১ | ১২:৫১ অপরাহ্ণ
জেলহত্যার রায় কার্যকরে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ষড়যন্ত্র, ক্ষমতা দখল-পাল্টাদখলের ধারাবাহিকতায় ৪৬ বছর আগে কারাগারে বন্দী অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়। এ মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হলেও নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে কারা জড়িত, তা এখনো বের করা যায়নি বলে মনে করেন জাতীয় চার নেতার পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা বলছেন, আগামী প্রজন্ম ও ইতিহাসের স্বার্থে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ও নেপথ্যের কুশীলব বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করা প্রয়োজন।

১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর জেলহত্যার ঘটনার বিচারের রায় কার্যকর করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বুধবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর নাজীম উদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এ কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আজ ৩রা নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশে দুটি ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। যার মধ্যে একটি ১৫ আগস্ট, অন্যটি ৩ নভেম্বর জেলহত্যার ঘটনাটি। এই ঘটনাগুলো কারা ঘটিয়েছে তা সবাই জানে। অনেক হত্যাকারীর বিচার হয়েছে, এদেরও হবে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, জেলহত্যা দিবসে আমরা প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। এছাড়া জাতীয় চার নেতাকেও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি জেলখানা পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে নিরাপদ স্থান। কিন্তু কিভাবে আইন ভঙ্গ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে সবাই জানে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে এবং রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে। আর যারা পলাতক আসামি রয়েছেন তাদেরকে আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি। আমরা যখন আসামিদের নিজেদের আওতায় পাবো তখনি ফাঁসির রায় কার্যকর হবে। জেলহত্যার রায় কার্যকরের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নিচ্ছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে তানজীম আহমেদ সোহেল তাজ, সিমিন হোসেন রিমি, শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে রেজাউল করিম, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমান প্রমুখ।

সম্পর্কিত পোস্ট