শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০

জিম্বাবুয়েকে ‘বিদায়’ করে দিল ডাচরা

প্রকাশ: ২ নভেম্বর ২০২২ | ৭:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: ২ নভেম্বর ২০২২ | ৭:১৩ অপরাহ্ণ
জিম্বাবুয়েকে ‘বিদায়’ করে দিল ডাচরা

সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে জিম্বাবুয়ের সামনে জয়ের বিকল্প ছিল না। কিন্তু মাঠে খুঁজে পাওয়া গেল না লড়াকু জিম্বাবুয়েকে। ফলাফল, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলার আশা চূর্ণ করল ক্রেইগ আরভিনের দল।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভার ২ বলে অলআউট হওয়ার আগে জিম্বাবুয়ে সংগ্রহ করেছে ১১৭ রান। জবাব ব্যাট করতে নেমে ডাচরা ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ১২ বল হাতে রেখেই। এই পরাজয়ের ফলে ‘কঠিন যদি-কিন্তুর হিসাব বাদ দিলে’ কার্যত জিম্বাবুয়ের আশা শেষ।

অ্যাডিলেড ওভালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। এরপর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বিবর্ণ ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী করল তারা। সিকান্দার রাজা ও উইলিয়ামস ছাড়া কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ওয়েসলি মাধেভেরে। এরপর আউট হন ক্রেইগ আরভিন ও রেগিস চাকাভা।

পাওয়ার প্লেতে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ২০ রান। এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা ও শন উইলিয়ামস। তাদের ৪৮ রানের জুটি দলের মান বাঁচানোর ছাড়া আর কিছু করতে পারেনি।

২৮ রান করে উইলিয়ামস আউট হন। এরপর বাস ডি লিড তার শিকারে পরিণত করেন রাজাকে। ২৪ বলে ৩ চার ও ৩ ছয়ে ৪০ রান করেন সিকান্দার। ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১১৭ রানে থামতে হয় জিম্বাবুয়েকে। ইনিংসের চার বল বাকি থাকতে তাদের অলআউট করে ডাচরা।

পল ফন মিকেরেন ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। দুটি করে পান গ্লোভার, লোগান ফন বিক ও ডি লিড।

১১৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে চতুর্থ ওভারে স্টেফান মাইবুর্গ (৮) ফিরে গেলেও টম কুপার ও ম্যাক্স ও’ডাউডের জুটিতে জয়ের ভিত গড়ে নেদারল্যান্ডস। মূলত এই জুটিতেই জয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। দলীয় ৯০ রানে কুপার ৩২ রানে আউট হন।

এরপর ও’ডাউড যখন থামেন, তখন জয় সময়ের ব্যাপার মাত্র। দলীয় ১০৯ রানে তিনি আউট হন ইনিংস সেরা ৫২ রানে। ৪৭ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস।

দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন বাস ডি লিড ও রুলফ ফন ডার মারউই। ১৮তম ওভারের শেষ বলে ডি লিড চার মেরে জয় এনে দেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি।

সম্পর্কিত পোস্ট