শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১

চীনে বাজার অন্বেষণে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আলোচনা

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২২ | ৯:৩৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২২ | ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
চীনে বাজার অন্বেষণে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আলোচনা

চীনের বাজারে ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত পণ্য রপ্তানির সুযোগ ২০২৬ সালের পর আর থাকবে না। তাই এখনই আমাদের এ সুযোগটি গ্রহণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মনসুর উদ্দিন। ‘বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা : চীনা বাজারে আরও বেশি সুযোগ কীভাবে অন্বেষণ করা যায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সময় রোববার (১০ এপ্রিল) বিকেলে চীনে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে চীনা বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির জন্য অনলাইনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মনসুর উদ্দিন।

বেইজিং, সাংহাই, গুয়াংজু, শেনঝেন, ছাংশা, ইইউসহ বিভিন্ন শহরে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা আলোচনা সভায় অংশ নেন।

চীন বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বাণিজ্যের অংশীদার উল্লেখ করে ব্যবসায়ীরা বলেন, ১৪০ কোটি জনসংখ্যার একটি বিশাল সম্ভাবনাময় বাজার হচ্ছে চীন। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে এ দেশের জনগণের ক্রয় ক্ষমতা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি পণ্যের প্রতি চীনা মানুষের কদর বাড়ছে। তারা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বৈষম্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও পরামর্শ দেন। পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধা ও প্রতিবন্ধকতা নিরসনে অ্যাম্বাসির মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মনসুর উদ্দিন এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, আমি আপনাদের প্রস্তাবনা, পরামর্শ ও মতামতগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছি এবং লিপিবদ্ধ করেছি। চীনে বসবাসরত বাংলাদেশি আমদানিকারকদের বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আপনাদের পাশে আছে।

তিনি আরও বলেন, চীন গ্লোবাল সাপ্লাইয়ার হলেও বড় বাজার হওয়ায় বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর বিদেশি পণ্য আমদানি করে। চীনের বাজারে ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত পণ্য রপ্তানির এ সুযোগটি ২০২৬ সালের পর আর থাকবে না। তাই এখনই আমাদের এ সুযোগটি গ্রহণ করতে হবে। তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ফিশারিজ, কৃষি পণ্য, হস্ত শিল্প ইত্যাদি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য আমাদের আমদানিকারক এন্টারপ্রাইজগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

কাউন্সিলর মনসুর উদ্দিন বলনে, চীনা আমদানিকারকদের বাংলাদেশি পণ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য চীনে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

২০২০ সালে চীন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৯৭ শতাংশ বা ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা দিয়েছে, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট