শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০

চবিতে ‘মহাভারত ও রবীন্দ্রনাথ: আর্থসামাজিক ভাবনা’ শীর্ষক বিশেষ বক্তৃতা

প্রকাশ: ৬ জুন ২০২৩ | ৮:৩৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ৬ জুন ২০২৩ | ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
চবিতে ‘মহাভারত ও রবীন্দ্রনাথ: আর্থসামাজিক ভাবনা’ শীর্ষক বিশেষ বক্তৃতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বাংলা বিভাগের আয়োজনে ‘মহাভারত ও রবীন্দ্রনাথ: আর্থসামাজিক ভাবনা’ শীর্ষক বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জুন) বেলা ১১ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ২ং গ্যালারিতে এই বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজচিন্তক ড. ইমদাদুল হক।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি বলেন, মনের ক্যানভাসে অনেকগুলো যুক্তি আসে, প্রকৃষ্ট যুক্তি হচ্ছে প্রযুক্তি। প্রযুক্তিটা হচ্ছে বিজ্ঞানের। আমরা যখন কোন কিছু করি তার আগে আমরা মনের ক্যানভাসে ছবি আঁকি। যখন সেটা বাস্তব হয় তখন তা বিজ্ঞান। কিন্তু যখন আমরা মনের ভিতর ভাবি তখন তা সাহিত্য। অর্থাৎ সাহিত্য হচ্ছে বিজ্ঞানের পূর্ববর্তী ধাপ।

রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্মকে উপলব্ধি করতে না পারায় আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা রবীন্দ্রনাথের লেখাগুলো সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারি না। রবীন্দ্রনাথ তার কবিতা ও লেখায় স্রষ্টাকে খুঁজেছেন, যেটাকে আমরা ভুলভাবে নারীকে চিন্তা করে থাকি।

ড. ইমদাদুল হক বলেন, আমরা ব্রিটিশদের দেওয়া শিক্ষা কাঠামো মেনে নিয়ে গলধকরণ করছি। গিলে খাওয়া হচ্ছে হিংস্রতার নিদর্শন। ফলে মহাভারত পুরান বা কুরআন ধর্মীয় গ্রন্থগুলো না বুঝে পড়ার কারণে আমরা উৎপাদনমুখি হতে পাচ্ছি না।

বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আলীর সঞ্চলনায় ও বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তাসলিমা বেগমের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচকের বক্তব্য রাখেন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ।

সম্পর্কিত পোস্ট