শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০

ইউক্রেনে মুসলিম সেনাদের সম্মানে ইফতার

প্রকাশ: ৮ এপ্রিল ২০২৩ | ১:২৫ অপরাহ্ণ আপডেট: ৮ এপ্রিল ২০২৩ | ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইউক্রেনে মুসলিম সেনাদের সম্মানে ইফতার

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ইফতারের আয়োজন করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। দেশটির মুসলিম সেনাদের প্রতি সম্মান জানাতে এ আয়োজনে যোগ দেন তিনি।

শুক্রবার (৭ এপ্রিল) রাজধানী কিয়েভে ক্রিমিয়ার তাতার কালচারাল সেন্টারের এ ইফতারের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় সংখ্যালঘু মুসলিম তাতার সম্প্রদায়ের প্রতি রাশিয়ার আচরণের নিন্দা জানান জেলেনস্কি। রাশিয়া থেকে ক্রিমিয়া পুনর্দখলের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

ইফতারের আগে ফ্রন্টলাইনে লড়াই করা মুসলিম সেনাদের হাতে মেডেল তুলে দেন জেলেনস্কি। এসময় সমগ্র বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।  

রাত্রীকালীন ভাষণে জেলেনস্কি ঘোষণা দেন, এখন থেকে প্রতিবছর রমজানের একটি দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সম্মানজনক বিশেষ ইভেন্ট’ হিসেবে পালন করা হবে। যে ইফতার আয়োজনে যোগ দেবেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান।

তিনি বলেন, সব কমিউনিটির মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ইউক্রেন। বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় রমজানের এই কঠিন এক সংযমকে সম্মানের চোখে দেখে ইউক্রেন। ইউক্রেনীয় মুসলিম সেনাদের পুরস্কৃত করতে পেরে ও তাদের সঙ্গে ইফতার করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত।

মুসলিম সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে জেলেনস্কি বলেন, ক্রিমিয়া দখলের সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়া ইউক্রেনকে দাস বানানোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে। রাশিয়া ক্রিমিয়ার বাসিন্দা, ইউক্রেনীয় ও ক্রিমিয়ার তাতার জনগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। ক্রিমিয়া দখলমুক্ত করা ছাড়া ইউক্রেন বা বিশ্বের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই। আমরা ক্রিমিয়ায় ফিরে যাব।

২০১৪ সালে কৃষ্ণসাগরের ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাশিয়া। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে দেশটি গণভোটের আয়োজন করে। ওই গণভোটে রুশ বাহিনীর দখলে থাকা ইউক্রেনের চার অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।

ক্রিমিয়ার ২০ লাখ জনগোষ্ঠীর ১২ থেকে ১৫ শতাংশ তাতার সম্প্রদায়।  

সম্পর্কিত পোস্ট