বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

আবুধাবি দূতাবাসে শেখ রাসেলে জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ১:৪৭ অপরাহ্ণ আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ১:৫৯ অপরাহ্ণ
আবুধাবি দূতাবাসে শেখ রাসেলে জন্মবার্ষিকী উদযাপন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি বাংলাদেশ দূতাবাস নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে উদযাপন করেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মবার্ষিকী।

গত সোমবার (১৮ অক্টোবর) এ উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রদূত মোঃ আবু জাফরসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এসময় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ আলাদাভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ।

আলোচনা সভায় অংশ নেন জনতা ব্যাংক লিঃ ও বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ স্কুলের উপদেষ্টাসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশি নেতৃবৃন্দ স্মৃতিচারণ বিষয়ক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

পরবর্তীতে শেখ রাসেলের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, সন্মাননা সনদসহ প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে স্মারক উপহার প্রদান করা হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে রাষ্ট্রদূত শিশুকিশোরদের সাথে নিয়ে শেখ রাসেলের জন্মদিনের কেক কাটেন।

বক্তব্য রাখছেন রাষ্ট্রদূত মোঃ আবু জাফর

সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোঃ আবু জাফর বলেন, ছয় দফা প্রণয়ন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশগঠনের প্রচেষ্টা এতোসব কর্মমুখর সময়ের মধ্যে জন্ম ও বেড়ে ওঠা শিশুটির নাম শেখ রাসেল। যার শৈশব বাঙালি জাতির জন্মলগ্নের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো জুড়ে ডানা মেলেছে । বাল্যকালেই যে মহানুভবতা ও কোমল হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছিল তাঁর যাবতীয় কর্মকাণ্ডে, বেড়ে ওঠার সুযোগ পেলে হয়তো সে আজ বিশ্বব্যাপী কোনো মানবদরদী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতো, হয়তো হতে পারতো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে একজন অগ্রপথিক। সেজন্য, শিশু রাসেলের জীবন সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের কাছে তুলে ধরতে প্রতি বছর তাঁর জন্মদিনকে ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর আর একটি স্বপ্নকুঁড়িও যেন বর্বরতার শিকার হয়ে অকালে ঝরে না যায়। একটি শিশুও যেন নৃশংসতার শিকার না হয়। সেজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।

সবশেষে, শেখ রাসেলের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় ।

সম্পর্কিত পোস্ট