মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুদকের মামলা

প্রকাশ: ৫ মার্চ ২০২২ | ৬:১৬ অপরাহ্ণ আপডেট: ৫ মার্চ ২০২২ | ৬:১৬ অপরাহ্ণ
অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুদকের মামলা

সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে জালিয়াতি করে পণ্য খালাস ও ১০৫ কোটি ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭০ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শনিবার (৫ মার্চ) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১ এর উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলা ৩টি দায়ের করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২টি পণ্য চালানে মিথ্যা ঘোষণায় উচ্চ শুল্কহারযুক্ত পণ্য সিগারেট আমদানি করে তা খালাসপূর্বক সরকারের ১৬ কোটি ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ মামলায় আসামি করা হয়- মিজানুর রহমান চাকলাদার, মফিজুল ইসলাম লিটন, মুভিং ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার আব্দুল হান্নান দেওয়ান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স চাকলাদার সার্ভিসের মো. হাবিবুর রহমান অপু, আব্দুল গোফরান, হামীম গ্রুপের কম্পিউটার অপারেটর জহুরুল ইসলাম, কাস্টম হাউসের সহকারী প্রোগ্রামার কামরুল হক, রাজস্ব কর্মকর্তা সুলতান আহম্মদ, কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আব্দুল্লাহ আল মাছুম ও অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম।

তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৫টি পণ্য চালানে মিথ্যা ঘোষণায় উচ্চ শুল্কহারযুক্ত পণ্য সিগারেট আমদানি ও খালাসপূর্বক সরকারি রাজস্ব ৫৬ কোটি ৬৮ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৫ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে- মেসার্স জারার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মাহবুবুর রহমান, সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স চাকলাদার সার্ভিসের মো. হাবিবুর রহমান অপু, গ্রাহক মো. আব্দুল গোফরান, হামীম গ্রুপের কম্পিউটার অপারেটর মো. জহুরুল ইসলাম, গ্রাহক আবুল কালাম, কাস্টম হাউজের প্রাক্তন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার জনি, প্রাক্তন রাজস্ব কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম, রাজস্ব কর্মকর্তা সুলতান আহম্মদ, কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আব্দুল্লাহ আল মাছুম, অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম।

আর শেষ ও ৩ নম্বর মামলায় বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেরা লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে পরস্পর যোগসাজশে বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৩টি চালানে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে উচ্চ শুল্কহারযুক্ত পণ্য সিগারেট আমদানি করে তা খালাসপূর্বক সরকারের ৩২ কোটি ২৭ লাখ ১ হাজার ৯০৭ টাকা আত্মসাৎ করেন।

মামলায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী পোগ্রামার কামরুল হক, রাজস্ব কর্মকর্তা সুলতান আহম্মদ, কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ আহম্মদ, উচ্চমান সহকারী আব্দুল্লাহ আল মাছুম ও অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলামসহ ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সংলাপ/০৩/০৫/০১২/আ/হো

সম্পর্কিত পোস্ট