শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০

অবৈধ পুলিশ স্টেশনের পর বিদেশে কনস্যুলেট ও আদালত স্থাপন করছে চীন

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২২ | ৪:৪৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২২ | ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ পুলিশ স্টেশনের পর বিদেশে কনস্যুলেট ও আদালত স্থাপন করছে চীন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে পুলিশ স্টেশন করার পর এবার বেশকিছু দেশে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমনে কনস্যুলেট ও আদালত স্থাপন করছে দেশটি। এর আগে পুলিশ স্টেশন স্থাপন করে সমালোচনার মুখে পড়েছিল দেশটি।

রিপোর্টার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশে বসবাসরত চীনাদের প্রভাবিত করতে, সিসিপির বিরুদ্ধে মতবিরোধকে দমন করতে এবং বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে এটি করছে চীন।

গত ১৬ অক্টোবরের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে প্রতিবেদনে বলা হয়, হংকংয়ের একজন গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভকারীকে ম্যানচেস্টারে চীনা কনস্যুলেট মাঠে টেনে নিয়ে মারধর করা হয়েছিল। ওই ঘটনাটি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং সরকার একে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছে। গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ তদন্তও শুরু করেছে।

ব্রিটেনের চীনা রাষ্ট্রদূত আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেছে, ওই বিক্ষোভকারীরা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি অপমানজনক প্রতিকৃতি প্রদর্শন করেছে। পরবর্তীতে ব্যাপকভাবে সম্পাদন করা ছবি ও ভিডিও ক্লিপ ব্যবহার করে অপরাধের সঙ্গে জড়িত চীনা কনস্যুলেটের ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরতে ভুয়া টুইটার অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়েছে।

চীনা কনস্যুলেটগুলোর বিতর্কে জড়ানোর এটিই প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ২০২১ সালে উইঘুর নারীদের ‘বাচ্চা তৈরির মেশিন’ উল্লেখ করে একটি টুইট করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চীনা দূতাবাসের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে টুইটার। সে সময় পোস্টটি সরিয়ে নেয় টুইটার।

আরেকটি টুইটে নেদারল্যান্ডসে চীনা দূতাবাসকে দেখা গেছে গবেষক ও থিঙ্ক ট্যাঙ্কগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে। এদিকে অস্ট্রেলিয়ায় চীনের রাষ্ট্রদূত চেং জিংয়ে র‌্যাভেনসউড স্কুল ফর গার্লসে বিতর্কিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেছেন। সিডনিতে চীনা কনস্যুলেট-জেনারেলের শিক্ষা অফিসের কনসাল লিউ জিয়ানবো রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন।

রিপোর্টিকা বলছে, চীনা দূতাবাসগুলো অন্যান্য দেশে আইনি পরিষেবা স্টেশন বা আদালত স্থাপনে জড়িত। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্পের অধীনে বেশ কয়েকটি দেশে আদালত/আইনি পরিষেবা কেন্দ্র খুলেছে চীন।

চীনা বিদেশি সংগঠন এবং দূতাবাসগুলো এগুলো স্থাপন করছে। এমনকি যুক্তরাজ্য, স্পেন এবং ইতালিতেও এই আদালতের উপস্থিতি রয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট